মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

রংপুরে ফারুক ও ফরিদ দুই সহোদরের ত্রাস টেন্ডারবাজি মিথ্যা মামলা হামলায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা

রিপোটারের নাম / ৫৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
add

স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর সদরের ডেওডোবা হাজিপাড়ার ইদ্রিস আলীর ছেলে ফরিদ ও ফারুক দুই ভাই ত্রাস টেন্ডার বাজি খুন, ধর্ষণ ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে সাধারণ মানুষ দিশেহারা, সরেজমিনে জানা গেছে -ঐতিহাসিক লালবাগ বাজার মালিক সমিতির ছয়বারের নির্বাচিত সাঃ সম্পাদক জনাব আশরাফুল আলম আঙ্গুর এবং তার পরিবারের নামে গত ২৩/০১/২০২১ ইং তারিখে কোতোয়ালি থানার আইনশৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন এ মামলা হওয়ায় এলাকাবাসী এবং রংপুরের সচেতন মহল হতবাক। এ দিকে মামলার বাদী ফারুকের নামে আনিসুর রহমান ০১/১২/২০২০ ইং বিজ্ঞ আদালতে একটি চাঁদাবাজি মামলা দাখিল করেন যার মামলা নং০১।প্রত্যক্ষদর্শি ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায় রসিক ১৪ নং ওয়ার্ড এর মনোহরপুর গোলাগন্জ এলাকার ১৫/২০টি পরিবারকে জিম্মি করে বালু বিক্রিসহ রাস্তার পাশে ফলজ গাছ নির্বিচারে কেটে সাবাড় করেছে। উল্লেখ যে ফারুক কয়েক দিন আগে লালবাগ বাজারের শফিকুল ইসলাম নির্যাতনের শিকার। ফারুকের বড় ভাই ফরিদের বিরুদ্ধে হত্যা এবং নারী শিশু নির্যাতনের ধর্ষনের মামলা আছে যা আদালতে বিচারাধীন।এছাড়াও রংপুরের বিভিন্ন থানায় দুই ভাই এর নামে ধর্ষন, ছিনতাই, খুন,সন্ত্রাসী, ভুমি দখল,টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের প্রায় ডজন খানেক মামলা থাকার পরও তারা প্রকাশ্য প্রশাসনের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং অপরাধ সংঘটিত করতেছে।রসিক ১৪ নং ওয়ার্ডের মনোহরপুর গোলাগন্জ এলাকার আজাহার আলী (৮০)বলেন -আমি অসহায় বৃদ্ধ হওয়ায় ফারুক এবং ফরিদ দুই ভাই আমার ফসলের জমি অন্যায় ভাবে বেদখল করে তার মধ্যে পুকুরখনন করে মাটি বিক্রি করতেছে তাই আমি বিচার চেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, রংপুরে মিছ পিটিশন নং-১৮৭/২১ আনয়ন করি।গত ৩১/০৩/২০২১ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীদের ফৌঃ কাঃবিঃ;১৪৪ ধারা মতে নোটিশ প্রদান করিলেও বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাত নামা ২০/২৫ জন বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করিয়া বাহু শক্তির প্রভাব খাটাইয়া ০৪/০৪/২০২১ ইং তারিখে সকাল আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকায় আমার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া জমি হইতে অন্যায় ভাবে মাটি খনন করতে থাকে এবং অন্যত্রে নিয়ে যায় । আমি এবং আমার পরিবারের লোক জমিতে উপস্থিত হইয়া বিজ্ঞ আদালতের নোটিশের কথা বললে তারা কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে তাদের হাতে থাকা লাটি,লোহার রড দিয়ে আমাকে এবং আমাদের পরিবারের লোকজনদের শরীরে আঘাত করে এবং আমাকে বলে তোমার দাড়ি ছিলে হত্যা করে এই মাটিতে পুঁতে রাখবো, এক পর্যায়ে বিবাদীগণ তাদের হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আমাদের জানে মারিয়া ফেলার জন্য ধাওয়া করলে আমরা আমাদের সাথে ধাকা মোটরসাইকেল তদন্তস্থলে রাখিয়া পলায়ন করি।এমতাবস্থায় আমরা জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দেই এবং থানা পুলিশের মাধ্যমে রক্ষা পাই।পড়ে থানা হাজির হয়ে ডিউটি অফিসারের নিকট অভিযোগের লিখিত কপি দাখিল করি,দুই দিন পরে আবারও থানায় গিয়ে জানতে পারি আমার মামলার অভিযোগ এন্ট্রি হয়নি এবং আমার ভাতিজার মোটরসাইকেল ফেরত হবে না,আজাহার আলী আরও বলেন -ওসি স্যার বলেন,ফারুকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করবেন না, আর যদি করতে চান উল্টো আপনাদের বিরুদ্ধে (দ্রুত বিচার আইনে) চাঁদাবাজি মামলা দাখিল হবে।প্রায় আশি বছরের বৃদ্ধ আজাহার আলী কেঁদে কেঁদে বলেন -মহান আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আমার কেহ নেই। তিনি সবকিছুর মালিক।রসিক ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিঠু বলেন-ফারুক ও ফরিদ আমার নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দার।দীর্ঘ দিন থেকে তারা অবৈধভাবে দলীয় প্রভাব খাটাইয়া এবং পুলিশ প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ অফিসারের সঙ্গে সঙ্গ করে এলাকায় ত্রাস এর কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে কেউ চাইলে উল্টো প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দেয়।গত ২৩/০৩/২০২১ ইং তারিখে দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকায় রংপুরের ফারুক ও ফরিদের নামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।এলাকাবাসীর কাছ থেকে আরও জানা যায় ফারুক তার ব্যবহারিত মোটর কার গাড়িতে সব সময় ধারালো ছুরি, রড,নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে । এলাকাবাসী ফারুকের বিচার চেয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ