শিরোনাম
রাজশাহীতে নেশার টাকা না পেয়ে পুত্রের হাতে পিতা খুন সুনামগঞ্জে’ প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন-ডিসি খালেদা জিয়া জনগণের পার্লামেন্টে খুনিদের বসায়: প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুর সীমান্তে(প্রায়) ৫লক্ষ টাকার মালামাল আটক তালেবানের সঙ্গে ভারতের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে পর্যটকবাহী নৌযান চলাচলে নতুন নির্দেশনা জারি করেছেন -(ইউএনও) রওশন এরশাদ এমপি’র সুস্থতা কামনায় এরশাদ ট্রাষ্টের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে অনিয়ম: লিখিত অভিযোগ( ইউএনও) অফিসে আইসিইউতে রওশন এরশাদ দোয়া চাইলেন বিডিএ চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন বাচ্চু বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের আরোগ্য কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

তরমুজের দাম নিয়ে কতো কাহিনী

রিপোটারের নাম / ৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
add

রোজার মাস সামনে রেখে এতোদিন তেল, কাঁচা মরিচ, চিনিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে বাড়িয়েছে। কিন্তু এবার সেই কারসাজির তালিকায় যুক্ত হয়েছে তরমুজ ব্যবসায়ীরা। পাইকারী বাজার থেকে তরমুজ পিস হিসেবে নিয়ে এসেছে খুচরা ব্যবসায়ীরা কেজিতে বিক্রি করছেন। এতে গত ১০ বছরের তুলনায় এবার সবচেয়ে বেশি দাম তরমুজের।

করোনাভাইরাসের এই মহামারিতে যাত্রীবাহি বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহি যানবাহন চলাচল করেছে। এরপরও বিভিন্ন অজুহাতে তরমুজের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ক্রেতারা ক্ষুব্ধ।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, পুরান ঢাকার সেকশন ও ওয়াইজঘাটসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সারাদেশ থেকে আসা তরমুজ পাইকারি দরে বিক্রি হয়। এসব জায়গা থেকেই পুরো রাজধানীতে সাপ্লাই হয় ফলটি। এসব পাইকারি বাজারে সাইজভেদে ১০০ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে চার হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায়।

 

 

 

নীলক্ষেত এলাকার বাসিন্দা হাবিজার মণ্ডল কয়েকটি দোকানে তরমুজের দাম জিজ্ঞেস করলেও কিনতে পারেননি। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস রোধে সরকার লকডাউন দিয়েছে আমাদের আয় কমেছে। কিন্তু কমেনি কোনো পণ্যের দাম। তরমুজের দাম করলাম পিস হিসেবে বিক্রি করে না, কেজিতে বিক্রি করছে। একটা তরমুজ সর্বনিম্ন ৮ কেজি ওজন। প্রতি কেজি ৬০ টাকা চায়। সেজন্য তরমুজ কেনা হয়নি। এতো টাকা দিয়ে তরমুজ কেনা হাবিজারের পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, পাইকারি বাজার থেকে পিস হিসেবে নেওয়া তরমুজ খুচরা বাজারে কেজিতে বিক্রি করার কারণেই দাম বাড়ছে তরমুজের।

পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে জানা গেছে, সরাসরি ক্ষেত থেকেও পাইকাররা তরমুজ কিনে আনেন, আবার অনেক চাষি তরমুজ নিয়ে পাইকারদের কাছে আসেন। তবে যেভাবেই হোক না কেন এ বাণিজ্যে পিস হিসেবেই তরমুজের বেচা-বিক্রি চলে। কিন্তু খুচরা বাজারে গিয়ে সেটি কেজি হিসেবে কিভাবে বিক্রি হচ্ছে সেটা কারও বোধগম্য নয়।খানে ক্রেতাদের অভিযোগেরও শেষ নেই।

হাসানুজ্জামান হাসান নামে একজন চাকরিজীবী বলেন, তরমুজের ভেতরের রসালো লাল অংশ যা খাওয়া হয়ে থাকে, সেখানে যে ওজন থাকে তার সমপরিমান ওজন থাকে বাকল বা ছোলাতে। আর ছোলা ফেলে দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু যখন তরমুজ কিনছি তখন সেই ফেলে দেওয়া অংশই, ভোগ্য অংশের দামেই কিনতে হচ্ছে ওজন দিয়ে।

বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে এক কেজি তরমুজের দাম চলছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বেশি ভালো মানেরগুলো ৬৫ থেকে ৭০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছে। এতে ৫ কেজির একটি তরমুজের জন্য ক্রেতার গুণতে হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। অথচ এই তরমুজের দাম ১৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয় বলে জানিয়েছেন পাইকার ও ক্রেতারা।

তবে তরমুজ খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারী বাজারে তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় তারা পিস হিসেবে বিক্রি না করে কেজিতে বিক্রি করছেন। এতে কিছুটা লাভের মুখে দেখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ