শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:০২ অপরাহ্ন
add

ঘরে বসে ঝটপট ফ্রেঞ্চ ফ্রাই

রিপোটারের নাম / ২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
add

ভাতের পাতে হোক বা সন্ধেবেলায় চায়ের সঙ্গে, কুড়মুড়ে মুচমুচে ভাজাভুজি থাকলে আর কিছু লাগে না। করোনার এই সময়ে ঘরে বসে অনেকটাই বোরিং লাগছে সবার। তাই ঘরে বসে নানা রেসিপি তৈরির চর্চা হয়তো হচ্ছে বেশ ভালোই। ভাজা বলতে প্রথমেই মনে হয় আলু। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। কিন্তু এ বার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই হবে তবে কুমড়ো দিয়ে। বাড়িতে ঠিক রেস্তরাঁর মতো কুড়মুড়ে পাম্পকিন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বানাবেন কী করে, সেটাই এ বার জানার পালা।

যা যা লাগবে……

কুমড়ো এক থেকে দুই ফালি, কর্নফ্লাওয়ার এক থেকে দেড় কাপ, পাতিলেবু, নুন, চাটমশলা ও সস।

যেভাবে ঝটপট তৈরি করে ফেলবেন: কুমড়ো পরিষ্কার করে নিতে হবে। খোসা ভাল করে ছাড়িয়ে নিন। পাতলা পাতলা করে লম্বা আকারে কুমড়ো কেটে নিন। দরকারে স্লাইসার ব্যবহার করুন। কিন্তু খুব বেশি সরু করে কুমড়ো কাটবেন না। সে ক্ষেত্রে কুমড়োর টুকরো আধ ইঞ্চি মতো পুরু থাকবে। লম্বায় তিন ইঞ্চি রাখতে পারেন।

এবার কুমড়োর টুকরোগুলো ভাল করে ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যাতে পাত্রের গায়ে বা কুমড়োর মধ্যে কোনো পানি পানি ভাব না থাকে। একটি পাত্রে পানির মধ্যে কিছু বরফ দিন। এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস দিন তার মধ্যে। এবার কুমড়োর টুকরোগুলো সেই পাত্রের পানিতে ডুবিয়ে ফ্রিজে রাখুন। আধ ঘণ্টা পরে তা বার করে পানি থেকে ছেঁকে তুলে নিতে হবে। অন্য একটি পাত্রে পানি ঝরিয়ে নিন ভাল করে।

কুমড়োর টুকরোগুলো ভাজার আগে একটি পাত্রে অল্প কর্নফ্লাওয়ার ও স্বাদ মতো নুন মিশিয়ে রাখুন। ভাজার আগে কুমড়োগুলো এই মিশ্রণে দিয়ে দু’হাতে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে তা ফুটন্ত তাপমাত্রায় পৌঁছনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কুমড়ো ছেড়ে আঁচ মাঝারি করে নিন। একে একে কুমড়োর টুকরোগুলো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মনে রাখবেন, একটু ডুবো তেলে ভাজতে হবে। খুন্তি নেড়ে কুমড়োগুলো ছাড়িয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, কুমড়োর টুকরো কড়াইয়ের নীচে যেন আটকে না যায়। কুমড়ো যাতে ভেঙে না যায় খেয়াল রাখতে হবে সে দিকেও। প্রথমে মাঝারি আঁচে কুমড়ো ভেজে তুলে নিতে হবে। এতে কুমড়ো সিদ্ধ হয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৬,৩৩৮,৬৮৫
সুস্থ
৪৫,৯২৪,৪৭২
মৃত্যু
১,৫২৬,৮৪৫