শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
add

কৃষক শ্রেণি বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে – নেওয়াজ

রিপোটারের নাম / ৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২০
add

জীবনধারা ডেস্কঃ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে যে অর্থনৈতিক ধস দেখা দেবে তখন টিকে থাকার জন্য খাদ্য নিরাপত্তাই সবার আগে। কৃষকদের অবশ্যই দরকার আছে। কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। সরকার বাঁচবে, অতিধনী বাঁচবে, শিল্প মালিকরা বাঁচবে। মনে রাখতে হবে। কৃষক মরলে বা মেরে ফেললে কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঁচতে পারবে না। কারণ টাকা পয়সা ডলার খাওয়া যায় না। আর বিদেশ থেকে এনেও বেশিদিন টিকবে না। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। কৃষকরাই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাণের বন্ধু। কৃষকরা বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে। তাই কৃষকদের উন্নয়নের জন্য স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কৃষি বান্ধব সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশের কৃষিতে উন্নয়নের যাত্রা শুরু করে ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এজন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য এগিয়ে যেতে হবে। দেশের অর্থসংস্থানের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে খাদ্যের জোগানদার খাত হিসেবে কৃষি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। এ দেশের কৃষি ব্যবস্থার এক ধরনের চিরাচরিত নিজস্বতা থাকলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এ ব্যবস্থা এখন এক আশা জাগানিয়া সমৃদ্ধির স্তরে উঠে এসেছে। ধান, গম, ভুট্টা ও আলুর মতো প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে সাফল্যের পাশাপাশি সবজি, ফলমূল ও মশলাজাতীয় ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিপুল সাফল্য অর্জন করেছে। সেই সাথে ডাল ও তেলবীজ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছে। পাশাপাশি মাছ, মাংশ, ডিম ও দুধ উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কিন্ত বর্তমান করোনা পরিস্থিতির দ্বারা খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা আক্রান্ত হওয়া মানে বাঁচা-মরার আর এক সংকটের মুখোমুখি হওয়া। এ কারণে কৃষির ওপর করোনা পরিস্থিতির প্রভাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ বা উত্তরণের জন্য করণীয় নির্ধারণ করতে হবে এবং তা করতে হবে এখনই। কৃষকদের পাশে সর্বোচ্চ এবং সব ধরণের সহায়তা দিয়ে রাষ্ট্রকে দাঁড়াতে হবে; সবার আগে করোনা থেকে এদের রক্ষা করতে হবে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে কৃষকরা করোনা প্রতিরোধ ব্যবস্থায় যেন শামিল থাকে, সে জন্য সরকার স্বাস্থ্যবিভাগ ও তথ্যবিভাগের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মী ও কৃষক নেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি কার্যক্রম জোরদারকরণের জন্য ‘‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’’ এ স্লোগান তুলে সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিল। কৃষি গ্রাজুয়েটদেরকে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেছিল যাতে করে মেধাবী ছাত্ররা কৃষি শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর হৃদয়পটে বাংলাদেশটিকে ধারণ করেছিল। তাঁর চেতনার উৎস ছিল এ দেশের মানুষের ভালবাসা। বঙ্গবন্ধুকন্যা তিনি নিশ্চয়ই মনে রেখেছেন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমাদের চাষিরা হলো সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণি এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমাদের উদ্যোগের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ, বিশেষত কৃষকরা। সরকারের বাজেট ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে কোনো সহায়তা সত্যিকার অর্থে পৌঁছাচ্ছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষক বাঁচলে কৃষির উৎপাদন অব্যাহত থাকবে। উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারলে বাংলাদেশ বাঁচবে। চলমান লকডাউনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনেক কিছু থমকে যাওয়ায় কমবেশি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ মুহূর্তে অর্থনীতির একেবারে অগ্রভাগের মানুষ কৃষকদের সংকট বেশি। তাদের বাঁচিয়ে রাখা জরুরি। কৃষির উন্নতিই দেশের উন্নতি। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। বর্তমান সরকার বরাবরই কৃষকবান্ধব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। এমনকি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে তিনি মাঠে গিয়ে ধান কাটতে নেমে পড়তেন বলেও জানিয়েছেন। তাছাড়াও তিনি কৃষকদের জন্য ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করছেন এবং বলেছেন বাংলাদেশের কোথাও যেনো এক টুকরা জমি পড়ে না থাকে। এমন কি বাড়ির আঙিনায় ও সবজি রোপণের জন্য সকলকে আহবান করেছেন। কৃষকপ্রীতির কথা আমাদের অজানা নয়। আমিএকজন কলামিস্ট হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের দ্বীপ্ত পদক্ষেপের ফলে সে লক্ষ্য নিশ্চিত ভাবে পৌঁছে যাবে ইনশাল্লাহ।
মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ ,সম্পাদক , মানুষের কল্যাণে প্রতিদিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৬,৩৫১,৫৬২
সুস্থ
৪৫,৯৩৬,৭৫৮
মৃত্যু
১,৫২৭,০৩২