শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
add

একজন মানবতার ফেরিওয়ালার গল্প

মো:হোসাইন আহম্মেদ: / ২০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
add

ঝিনাইদহ জেলার শিক্ষা সংস্কৃতি সামাজিক অঙ্গনে সর্বস্তরে উচ্চারিত একটি পরিচ্ছন্ন নাম সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহীনূর আলম লিটন। করোনায় যখন সবাই কর্মবিমুখ অভাব অনটনে, অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, পরিবারের মানুষও যখন বিমুখ হয়ে থাকে, পাড়া প্রতিবেশী, খোঁজ রাখেন না,ভোরের সূর্যের মতো প্রতিদিনই আলো ছড়াচ্ছেন মানবতার ফেরিয়ালা শাহীনূর আলম লিটন। নিজ জেলার মানুষের কষ্টটা লাঘব করতে, দিন রাত ছুটে চলেছেন মানবকল্যাণে। নিজের যতটুকু আছে সবটুকু দিয়ে পাশে দাড়িয়েছে গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষদের পাশে। তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সর্বদায় কাজ করে যাচ্ছেন মানবসেবায় যেটা এই করোনার মহামারীতে খুবই অপ্রতুল। শুধু তাই নয়,ব্যাক্তি উদ্যোগে কয়েক ধাপে প্রায় ৬৫০/৭০০ টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সরবাহসহ মৌসুমি ফল বিতরণ করেন। মানুষের নিরাপদ রাখতে ব্যাক্তিগত অর্থায়নে তৈরী করে দেন জীবাণুনাশক বুথ। করোনার সম্মুখ যোদ্ধা ডাক্তারের জন্য দিয়েছেন নিরাপত্তা সামগ্রী। এছাড়াও বিভিন্ন সচেতনতার জন্য লিফলেট বিতরণ, মাস্ক বিতরণ করেন। যেটি বর্তমান সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ১৯৭৭ সালের ২৪ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার আদর্শ পাড়াতে জন্মগ্রহণ করেন। কৃষি পরিবারেই মূলত তার জন্ম। তার পিতা মোঃরমজান আলী। মাতা মোছাঃ সকিনা খাতুন । দুই বোন সহ তারা তিন ভাই বোন।তার ছেলা বেলা কেটেছে ঝিনাইদহতে। ছেলে বেলা থেকে তার জীবনের মূল লক্ষ বা স্বপ্ন ছিল মানুষের জন্যে কিছু করা। তার ধারাবাহিকতাই তিনি স্বপ্ন দেখতেন ডাক্তার হওয়ার। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছেন কাঞ্চন নগর মডেল হাই স্কুল,ঝিনাইদহ থেকে। তিনি ১৯৯২ সনে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, কাঞ্চন নগর মডেল হাই স্কুল, ঝিনাইদহ থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ১৯৯৪ সনে সরকারি কেসি কলেজ ঝিনাইদহ থেকে এবং ২০০০ সনে, স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত আছেন।শিক্ষকতা তার কাছে মহান পেশা।কারণ তিনি মনে করেন একটা জাতিকে সুষ্ঠসুন্দর করে গড়তে গেলে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জন্যে তিনি শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নিয়েছেন। এছাড়া শিক্ষকতা ছাড়া তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন এর সাথে জড়িত আছে। ঝিনাইদহ জেলার অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন বিহঙ্গ সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। ২০০২ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।। বর্তমানে তার স্কুলের শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ২৮ জন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৫০ জন। তিনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনাসহ সমাজের মানুষের জন্য কিছু করার মানসিকতা নিয়ে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে চান।


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “একজন মানবতার ফেরিওয়ালার গল্প”

  1. Rokib says:

    শুভকামনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩২,৩৯৪,৬১৩
সুস্থ
২৩,৯০৪,৫৭৫
মৃত্যু
৯৮৭,০৫৫